মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫

বিটিএমসি’র কার্যক্রম

১। সংস্থার নির্দেশনা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম এর ব্যবস্থা এবং এর প্রতিষ্ঠানসমূহ সরকার কর্তৃক নিয়োজিত পরিচালক পর্ষদের উপর ন্যাস্ত।

 

২। বিদ্যমান প্রতিষ্ঠান সমূহের বাণিজ্যিক ভাবে পরিচালনের জন্য  জাতীয় পরিকল্পনা ও নীতিমালা প্রস্তুতকল্পে   সরকারের সাথে  সমন্বয়ে সহযোগীতা করা।

 

৩। সরকারের পরামর্শে ও অনুমোদনক্রমে বিএমআরই সহ নতুন উন্নয়ন প্রকল্পের চিত্র সনাক্তে, সূত্রপাত, প্রস্তুতকরন এবং তা বাস্তবায়নের  লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহন করা।

 

৪। সরকারের অনুমোদনক্রমে নতুন  প্রকল্প স্থাপনের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা ও সমীক্ষাসমূহ  চিহ্নিত করন ও সূত্রপাতকরন ।

 

৫। উন্নয়ন  প্রকল্প  উন্নয়ন জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর প্রস্তুত  এবং  বাস্তবায়ন করা।

 

৬। সংশোধিত এডিপি’তে সম্পদের ঘাটতি পরিলক্ষিত হলে  সরকারের  কর্তৃক সংস্থার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা।

 

৭। বৈদশিক সাহায্যের মাধ্যমে গৃহীত  উন্নয়ন প্রকল্পেসমূহ  সরকারের পরামর্শ ও অনুমোদনক্রমে সনাক্ত, সূত্রপাত ও প্রক্রিয়াধীন করা।

 

৮। এডিপির আওতাধীন উন্নয়ণ কর্মকান্ডের বাস্তবায়ন তদারকিকরন,এবং অর্জন,ঘাটতি, সমস্যা ,সংশোধন এবং নীতিমালা বিষয়ক কিছু থাকলে তা সরকারি সংস্থাকে অবহিত করা।

 

৯। উন্নয়ন প্রকল্পের পুনঃসংশোধন, সংশোধন এবং ভবিষ্যতের কর্মসূচীর চিত্র তুলে ধরতে প্রয়োজনীয় মূল্যায়ন করা।

 

১০। জাতীয়  চাহিদার প্রেক্ষাপটে  সরকারের চাহিদা অনুযায়ী কোন বিষয়ের উপর সুর্নিদষ্টভাবে  পর্যবেক্ষন করা।

 

১১। বস্ত্র খাতে উৎপাদন, বিতরন,দাম নির্ধারন, শ্রম,এবং ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি সরকারের নীতির আওতায় বাস্তবায়ণ করা।

 

১২। প্রতিষ্ঠানের বাস্তবভিক্তিক ও অর্থনৈতিক  লক্ষ্যমাত্রা ও উদ্দেশ্য সমূহ উপস্থাপন করা।

 

১৩। প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা,সম্পদের ফলপ্রসূ ও সুষ্ঠ ব্যবহার ,প্রতিষ্ঠানের সমস্যাবলী সনাক্তকরন এবং প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা প্রদানের বিষয়টি তদারকি করা।

 

১৪। কর্ম পদ্ধতি, পন্যের গুনগতমান, উৎপাদন বৃদ্ধি,অপচয় ও ব্যয় নূন্যতম রাখার মানদন্ড  গ্রহন করা।

 

১৫। সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য সংস্থা ও সরকারের সাথে পর্যাপ্ত,সুনির্দিষ্ট এবং নির্দিষ্ট সময়ে তথ্য সরবরাহের লক্ষ্যে তথ্য  প্রযুক্তির ব্যবস্থার  প্রবর্তন ও তত্ববধান করা।

 

১৬। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সংবিধিবদ্ধ ও আইনগত বাধা দূর করতে হবে।

 

১৭। দক্ষ জনবলের চাহিদা পুরনে মাঠ ও কারখানা পর্যায়ে  মানবসম্পদের  উন্নয়ন ও প্রশিক্ষন প্রদান করা।

 

১৮। আমদানীকৃত ও স্থানীয় উভয় ধরনের যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল ক্রয়ের লক্ষ্যে নীতিমালা ও কার্যপ্রনালী প্রনয়ন করা।

 

১৯। প্রতিষ্ঠানের  চাহিদা অনুযায়ী মেশিনারী যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ  এবং প্রচুর সামগ্রি ক্রয় করা যেগুলো বিভিন্ন কারিগরী প্রতিকূলতা যেমন  বৈদশিক বিনিময় বন্টন,ঋণের সীমাবদ্ধতা,লাইসেন্স অর্জণ করা এবং এল সি খোলা ইত্যাদি  কারনে অন্যভাবে ক্রয় করা যায় না।

 

২০। প্রতিষ্ঠানের  পন্য, পন্যজাত এবং অন্যান্য সামগ্রি  ‍বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে কার্যপ্রণালী প্রনয়ন করা।

 

২১। শ্রমিক/কর্মচারীদের সমাজসেবার মাধ্যমে সমাজ কল্যাণের মানদন্ডের উন্নয়ন  করা।

 

২২। প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন,তত্ববধান এবং নিয়ন্ত্রন করা।

 

২৩। বস্ত্র  খাতে যৌথ বিনিয়োগ প্রকল্প প্রনয়ন এবং সম্ভবনা  অনুসন্ধান করা।


Share with :
Facebook Facebook